অক্ষাংশ: ২২.৩৮ ডিগ্রি হতে ২৩.৪৪ ডিগ্রি উত্তর
দ্রাঘিমাংশ: ৯১.৪২ ডিগ্রি হতে ৯২.১১ ডিগ্রি পূর্ব
সীমানা: উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য
পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে -রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা
দক্ষিণ-পশ্চিমে -চট্টগ্রাম জেলা
পশ্চিমে -ফেণী নদী ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যএর অবস্থা
ভৌগোলিক রূপ: পাহাড়, ছোট ছোট নদী, ছড়া ও সমতল ভূমি মিলে এটি একটি অপরূপ সৌন্দর্যমন্ডিত ঢেউ খেলানো এলাকা।
|
বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১২
ভৌগলিক প্রোফাইল
জেলার পটভূমি
বৃটিশ সরকার কর্তৃক ১৮৬০ সালে স্বতন্ত্র জেলা ঘোষণা করার আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছিল বৃহত্তর চট্টগ্রামের একটি অঙ্গ। পার্বত্য চট্টগ্রাম
|
এক নজরে জেলা
১। আয়তনঃ ২,৬৯৯.৫৬ বর্গ কি.মি.।
২। নির্বাচনী এলাকাঃ ২৯৮ পার্বত্য খাগড়াছড়ি।
৩। সংসদীয় আসনঃ ০১টি।
৪। উপজেলাঃ ০৮টি (খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা, পানছড়ি, মাটিরাঙ্গা, মানিকছড়ি, মহালছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি
ও রামগড়)।
৫। থানাঃ ০৯টি।
৬। পৌরসভাঃ ৩টি (খাগড়াছড়ি, রামগড় ও মাটিরাঙ্গা)।
৭। ইউনিয়নঃ ৩৫টি।
৮। মৌজাঃ ১২১টি।
৯। গ্রামঃ ১,৩৮৮টি।
১০। জনসংখ্যাঃ ৫,১৮,৪৬৩ জন (পুরুষ-২,৭১,১৩১জন এবং মহিলা-২,৪৭,৩৩২জন)
[২০০১ সালের আদম শুমারি অনুসারে]।
(ক) উপজাতি-২,৬৯,৯০৪জন (৫২%)।
[চাকমা-১,৪৬,০৪৫, মারমা-৫৫,৮৪৪, ত্রিপুরা-৬৭,৩৪২, অন্যান্য-৬৭৩]
(খ) অ-উপজাতি-২,৪৮,৫৫৯ জন (৪৮%)।
১১। জনসংখ্যা ঘনত্বঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১৯২ জন।
১২। শিক্ষার হারঃ ৪৪.০৭% (পুরুষ-৫৪.১৯%, মহিলা-৩৩.৬২%)।
১৩। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনের হারঃ ৮৩%।
১৪। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ ৫৪৭টি।
(ক) কলেজ-৭টি।
(খ) উচ্চ বিদ্যালয়-৭১টি (সরকারি-৫টি ও বেসরকারি-৬৬টি)।
(গ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-৪২০টি (সরকারি-৩২০টি ও বেসরকারি-১০০টি)।
(ঘ) কিন্ডার গার্টেন-০৯টি।
(ঙ) মাদ্রাসা-১৩টি (মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এর অধীন)।
(চ) এবতেদায়ী মাদ্রাসা-২২টি।
(ছ) অন্যান্য ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-০৩টি।
(জ) কারিগরি বিদ্যালয় বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়-০১টি।
(ঝ) টেক্সটাইল ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-০১টি।
১৫। ধর্মীয় উপাসনালয়ঃ ৭৫১টি।
(ক) মসজিদ-২৫৫টি।
(খ) বৌদ্ধ মন্দির (ক্যাং)-২৬৩টি।
(গ) মন্দির-২০৭টি।
(ঘ) গীর্জা-২৬টি।
১৬। গুচ্ছগ্রাম ও ভারত প্রত্যাগত শরণার্থীঃ
(ক) ১। গুচ্ছগ্রামের সংখ্যা-৮১টি।
২। গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত পরিবার-৫৩,৮৫৫টি।
৩। গুচ্ছগ্রামে রেশন কার্ডধারী পরিবার-২৬,২২০টি।
৪। রেশন কার্ডবিহীন পরিবার-২৭,৬৩৫টি।
৫। গুচ্ছগ্রামে বসবাসকারী জনসংখ্যা-২,১২,১৬৫জন।
(খ) ১। ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী পরিবার-১২,১৭০টি।
২। রেশন কার্ডধারী পরিবার-১২,১৭০টি।
৩। ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থীর সংখ্যা-৬৪,৩৩৪জন।
১৭। খাস জমি সংক্রান্তঃ
(ক) মোট খাস জমির পরিমাণ-৩,০৫,৯৬৫.৭৩ একর।
(খ) বন্দোবস্তকৃত জমির পরিমাণ-১,৮০,২৭৯.৬২ একর।
(গ) বর্তমানে খাস জমির পরিমাণ-১,২৫,৬৮৬.১১ একর।
১৮। সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানঃ
(ক) সিনেমা হল-০১টি।
(খ) উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট-০১টি।
(গ) শিশু একাডেমি-০১টি।
(ঘ) শিল্পকলা একাডেমি-০১টি।
১৯। স্টেডিয়ামঃ ০১টি (জিমনেসিয়ামসহ)।
২০। প্রেস ক্লাবঃ ০২টি।
২১। জেলা কারাগারঃ ০১টি।
২২। দর্শনীয় স্থানঃ
v আলুটিলা পাহাড়ের রহস্যময় সুড়ঙ্গ ;
v নুনছড়ি মৌজার দেবতা পুকুর;
v রিছাং ঝর্ণা;
v ঐতিহাসিক রামগড় (ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস্ বর্তমান বিডিআর এর প্রথম হেডকোয়ার্টার);
v রামগড় লেক;
v পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের খামার;
v দীঘিনালা সংরক্ষিত বনাঞ্চল;
v ভগবান টিলা।
২৩। পর্যটন কেন্দ্রঃ
(ক) আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র।
(খ) নূনছড়ি দেবতা পুকুর।
(গ) দীঘিনালা সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
(ঘ) খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।
(ঙ) দুই টিলা ও তিন টিলা, দীঘিনালা।
(চ) ভগবান টিলা
২৪। নদীঃ ০৩টি (চেঙ্গী, মাইনী, ফেণী)।
২৫। চা-বাগানঃ ০১টি (রামগড়)।
২৬। রাবার বাগানঃ ৩,৪০০.০০ একর।
২৭। সেনাবাহিনী ব্রিগেডঃ ০২টি (খাগড়াছড়ি ও গুইমারা)।
২৮। বিডিআর সেক্টরঃ ০১টি।
২৯। ব্যাংকঃ ০৬টি ( মোট শাখা-২১টি)।
৩০। এনজিওঃ ৩৪টি।
(ক) জাতীয় ও আন্তর্জাতিক-০৭টি।
(খ) স্থানীয়-২৭টি।
৩১। প্রধান সমস্যাঃ বিদ্যুৎ।
৩২। যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ
পাকা রাস্তা-২৯৬.৩৬ কি. মি.।
আর্ধ পাকা রাস্তা-২৬১ কি. মি.।
৩৩। প্রাকৃতিক সম্পদঃ
(ক) কৃষিজ-(১) প্রধান ফসলঃ ধান ,গম, ভুট্টা, সরিষা, তুলা, আখ ও শাকসবজি ইত্যাদি।
(২) ফলমূলঃ আম, কাঁঠাল, আনারস, কলা, পেঁপে, পেয়ারা, লেবু ও তরমুজ ইত্যাদি।
(খ) খনিজ- গ্যাস (সিমুতাং গ্যাসফিল্ড, মানিকছড়ি)।
(গ) বনজ- সেগুন, গামারী, কড়ই, গর্জন, চাপালিশ, জারুল ইত্যাদি।
৩৪। সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রঃ
(ক) পর্যটন (খ) বনজ সম্পদ
(গ) খনিজ সম্পদ (ঘ) হস্তশিল্প
(ঙ) রাবার শিল্প (চ) ফলভিত্তিক শিল্প।
|
এক নজরে খাগড়াছড়ি জেলা
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য
জেলা সৃষ্টির ইতিহাস --- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলটি বৃটিশদের শাসন আমলে বৃহত্তর চট্টগ্রাম এর অংশ ছিলো। পার্বত্য চট্টগ্রাম অংশটি তিনটি মহকুমায় বিভক্ত ছিলো। মহকুমা তিনটির নাম যথাক্রমে-- রাংগামাটি, রামগড় এবং বান্দরবান। রামগড় মহকুমাটি তিনটি থানা যথাক্রমে-রামগড় সদর,দিঘীনালা ও মহালছড়ি এর সমন্বয়ে প্রশাসনিক অঞ্চল রুপে পরিচিহ্নিত ছিলো। খাগড়াছড়ি ছিলো মহালছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন। ১৯৬৮ সালে খাগড়াছড়ি ইউনিয়নকে থানা হিসেবে ঘোষনা করা হয়। ১৯৮৩ সালে ৮টি উপজেলা যথাক্রমে - মহালছড়ি,রামগড়,লক্ষ্মীছড়ি,দিঘীনালা,পানছড়ি,মানিকছড়ি মাটিরাংগা এবং খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার সমন্বয়ে খাগড়াছড়ি থানা কে জেলা হিসেবে প্রশাসনিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এ অঞ্চলটির পাশ দিয়ে বয়ে চলা ছড়া/ঝিরি র দুই পার্শ্বে নলখাগড়ার ঘন বন ছিলো। এলাকায় প্রচলিত আঞ্চলিক ভাষায় ছড়া/ঝিরি কে বলা হয় ‘ছড়ি’। জনশ্রুতি অনুসারে ছড়া/ঝিরি র দুই পার্শ্বে ঘন নলখাগড়া বনের আধিক্যতার কারণে এ অঞ্চলটির নাম করন করা হয় খাগড়াছড়ি।
জেলার অবস্থান -- ২২.৩৮০ এবং ২৩.৪৪০ উত্তর অক্ষাংশ, ৯১.৪৪০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
জেলার সীমানাঃ খাগড়াছড়ি জেলার উত্তরে এবং উত্তর-পশ্চিমে ভারতের পুরা রাজ্য, পূর্বে এবং দক্ষিণ-পূর্বে ও দক্ষিণে রাংগামাটি জেলার যথাক্রমে বাঘাইছড়ি,লংগদু এবং নানিয়াচর উপজেলা, দক্ষিণ-পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলা
জেলার আয়তন ---- ২,৬৯৯,৫৬ বর্গ কিলোমিটার
জলবায়ু-- সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা ৩০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনম্নি গড় তাপমাত্রা ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৩৮.৩২ মিলিমিটার নদ-নদী---- ৩(ফেণী , চেংগী ও মাইনী ) প্রশাসনকি উপজলো --- ৮টি
পৌরসভা ---- ০৩টি (রামগড়,মাটিরাংগা এবং খাগড়াছড়ি সদর)
সার্কেল-২টি (মং সার্কেল এবং চাকমা সার্কেল এর কিয়ংদংশ )
ইউনয়িন ---- ৩৪টি
মৌজা --- ১২১টি
গ্রাম ---১৩৮৮টি
জনসংখ্যা--- ৫,১৮৬৬৩
জনসংখ্যার ঘনত্ব --- প্রতি বর্গকিমি এ ১৯২ জন
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান --- ৭৫১টি(মসজিদ-২৫৫টি,বৌদ্ধ মন্দির-২৬৩টি,হিন্দু ধর্মাবলম্নীদের মন্দির-২০টি ও গীর্জা-২৬টি
বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র --- ০৪টি
এনজিও ----- ৩৪টি
|
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)